Home » Health Tricks » নিম গাছের উপকারীতা কী কী এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হয় দেখুন।

নিম গাছের উপকারীতা কী কী এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হয় দেখুন।

প্রিয় ,
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি ভালো আছেন। কারণ TrickRed.com এর সাথে থাকলে সবাই ভালো থাকে। আর আপনাদের দোয়ায় আমি ও ভালো আছি। তাই আজ নিয়ে এলাম আপনাদের জন্য আরেক টা নতুন টিপস। আর কথা বাড়াবো না কাজের কথায় আসি।

নিম একটি ঔষধি গাছ। এর ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকর। নিমের কাঠ খুবই শক্ত। এ কাঠে কখনো ঘুণ ধরে না। পোকা বাসা বাঁধে না। উইপোকা খেতে পারে না। এ কারণে নিম কাঠের আসবাবপত্রও তৈরি করা হচ্ছে আজকাল। এছাড়া প্রাচীনকাল থেকেই বাদ্যযন্ত্র বানানোর জন্য কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে।

এর উৎপাদন ও প্রসারকে উৎসাহ এবং অন্যায়ভাবে নিম গাছ ধ্বংস করাকে অখুশি করছে। নিমের এই গুনাগুনের কথা বিবেচনা করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘একুশ শতকের বৃক্ষ’ বলে ঘোষনা করেছে। নিম একটি বহু বর্ষজীবি ও চির হরিত বৃক্ষ।নিম গাছের পাতা, ফল, ছাল বা বাকল, নিমের তেল,বীজ। এক কথায় নিমের সমস্ত অংশ ব্যবহার করা যায়।

ঔষধি গুণাগুনঃ


বিশ্বব্যাপী নিম গাছ, গাছের পাতা, শিকড়, নিম ফল ও বাকল ওষুধের কাঁচামাল হিসেবে পরিচিত। বর্তমান বিশ্বে নিমের কদর তা কিন্তু এর অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যহারের জন্য। নিম ছত্রাকনাশক হিসেবে, ব্যাকটেরিয়া রোধক হিসেবে ভাইরাসরোধক হিসেবে, কীট-পতঙ্গ বিনাশে চ্যাগাস রোধ নিয়ন্ত্রণে, ম্যালেরিয়া নিরাময়ে,দন্ত চিকিতসায় ব্যাথামুক্তি ও জ্বর কমাতে, জন্ম নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়।

কফজনিত বুকের ব্যথাঃ


অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যাথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রশ সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিতে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতী,শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এ ঔষধটি নিষেধ।

    কৃমিঃ


    পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যায়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়া দিন ৩ বার সামান্য পানি গরমসহ খেতে হবে।

    উকুন নাশঃ


    নিমের পাতা বেটে হালকা করে মাথায় লাগান। ঘন্টা খানেক ধরে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ২/৩ দিন এভাবে লাগালে উকুন মরে যাবে।

    অজীর্ণঃ


    অনেকদিন ধরে পেটে অসুখ। পাতলা পায়খানা হলে ৩০ ফোটা নিম পাতার রস, সিকি কাপ পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল- বিকাল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যাবে।

    খোস পাচড়াঃ


    নিম পাতা সিদ্ধ করে পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

    পোকা-মাকড়ের কামড়ঃ


    পোকা মাকড় কামল দিলে বা হুল ফোটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যাথা উপশম হবে।

    দাতের রোগঃ


    নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের চাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাত হবে মজবুত, রক্ষা পাবে রোগ।

জন্ম নিয়ন্ত্রণে নিমঃ


নিম তেলা একটি শক্তিশালী শ্রক্রানুনাশক হিসেবে কাজ করে। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, নিম তেল মহিলাদের জন্য নতুন ধরনের কার্যকরী গর্ভনিরোধক হতে পারে। এটি ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই শুক্রানু মেরে ফেলতে সক্ষম। মুখের দাগ দূর করার সব থেকে ভাল ওষুধ হলো নিম৷ মুখে ব্রনের সমস্যায় ভুগছেন, চিন্তা করার দরকার নেই৷ নিম পাতার প্যাক মেখেই আপনি এর থেকে পরিত্রান পেতে পারেন৷ কি করে তৈরি করবেন এই প্যাকটা চলুন জেনে নিই৷ চার পাঁচটা নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে মিক্সিতে পিষে নিন৷ এর মধ্যে এক চামচ মূলতানি মাটি , অল্প গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন৷ প্যাকটা যদি গাঢ় হয়ে যায় তাহলে ওর মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন৷ মুখে লাগিয়ে বেশ কিছু ক্ষন রেখে দিন৷ প্যাকটা মুখে শুকিয়ে গেলে হালকা উষ্ণ জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন৷

তাহলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন TrickRed.com এর সাথে থাকুন। আর এ রকম নিত্যনতুন টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন, ধন্যবাদ।

4 months ago (July 31, 2019) 236 Views
Like 10 Report

About Author (1)

Zaman
Author

I want to spread the knowledge across the world.

4 responses to “নিম গাছের উপকারীতা কী কী এবং কীভাবে ব্যবহার করতে হয় দেখুন।”

  1. Shetol Shetol
    Author

    আসলেই নিম গাছ আমাদের অনেক উপকারে আসে, ধন্যবাদ নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য।

    • Zaman Zaman
      Author
      Post Creator

      অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ভাইয়া সাপোর্ট করার জন্য।

  2. Muntakim
    Administrator

    গুরুত্বপূর্ণ ট্রিক।

    • Zaman Zaman
      Author
      Post Creator

      আপনার মূল্যবান কমেন্ট এর জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া।

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts

Categories


Back to top